News Update: শিক্ষা নিয়ে গড়ব দেশ শেখ হাসিনার বাংলাদেশ

Vice Principal's Message

photo

শত বর্ষের ঐতিহ্যবাহী এডওয়ার্ড কলেজ বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যা পীঠ। শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত সবুজে ঘেড়া, ছায়া সুনিবিড়, পাখি ডাকা শান্ত অঞ্চলে অবস্থিত কলেজেটির রয়েছে এক সু-দীর্ঘ ইতিহাস। আজ থেকে বহু বছর আগে দার্শনিক শিক্ষক মহামতি সক্রেটিস বলেছিলেন  ‘কহড়ষিবফমব রং ঠরৎঃঁব’  অর্থাৎ “জ্ঞানই পুণ্য, জ্ঞানই নৈতিকতা” শিক্ষাই নৈতিকতা সৃষ্টি করে। তাঁর এই ধারনাকে লালন করে বিদগ্ধ পন্ডিত শিক্ষাগুরু শ্রী গোপাল চন্দ্র লাহিড়ী যিনি এ অঞ্চলের মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর মশাল হাতে ১৮৯৮ খ্রিষ্টাব্দের এক সোনালী সকালে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ‘দি পাবনা ইনস্টিউশন’ যা পরবর্তী কালে ঐতিহ্যবাহী এডওয়ার্ড কলেজ নামে অভিহিত হয়।
    ব্রিটিশ শাসনামলে প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যাপীঠ এ অঞ্চলের মানুষের মাঝে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে অগ্রণী ভূমিকা পালনের পাশাপাশি উন্নত জাতি ও সমৃদ্ধ দেশ গঠনে অনন্য ভূমিকা পালন করছে। উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে এ কলেজ আজ এক উজ্জ্বল মাইল ফলক। সুদীর্ঘ পথ চলায় এ কলেজ ক্ষুদ্র অবস্থান থেকে আজ এক মহিরুহে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে ১৭ টি বিষয়ে অনার্স, মাস্টার্স, ডিগ্রী (পাস) কোর্স ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি সহ প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষার্থীর পদচারণায় মুখরিত এ বিদ্যাপীঠ।
সুপ্রাচীন এ বিদ্যাপীঠটি অসংখ্য বিজ্ঞানী, কবি, সাহিত্যিক, কৃতিশিল্পী, সাংবাদিক, ক্রীড়াবিদ এবং বরেণ্য রাজনৈতিক নেতা-নেত্রী জম্ম দিয়েছে। তাঁরা আজ দেশ-বিদেশে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত। শ্রেণি কক্ষের লেখাপড়ার পাশাপাশি সাহিত্য সংস্কৃতি ও খেলাধুলা চর্চার সূতিকাগার হিসেবে এই শিক্ষাঙ্গনের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। ইতিহাস, ঐতিহ্য, বিভিন্ন ভাষা, মুক্তচিন্তা ও প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে এ কলেজে রয়েছে সাহিত্য সংস্কৃতি কেন্দ্র, বিদেশী ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র ও সাইবার সেন্টার। প্রতিটি বিভাগকে উরমরঃধষ ঘবঃড়িৎশ এর আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। প্রায় প্রতিটি শ্রেণি কক্ষ গঁষঃরসবফরধ চৎড়লবপঃড়ৎ এর মাধ্যমে পাঠদান করানো হয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা যাতে তথ্যপ্রযুক্তির জ্ঞানে সমৃদ্ধ হয়ে দেশের মানব সম্পদ উন্নয়ন ও জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে সে জন্য কলেজ এরিয়া  ডর-ঋর তড়হব এর আওতায় আনা হয়েছে।
যে বিদ্যাপীঠে আমি শিক্ষার্থী হিসেবে প্রবেশ করেছিলাম, যার আলো বাতাস পথচলা আমাকে আলোকিত ও মুগ্ধ করেছিল সেই বিদ্যাপীঠ আমার শিক্ষকতা করার সৌভাগ্য হয়েছে । আমার দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের প্রান্তিক পর্যায়ে এসে সেই কলেজের উপাধ্যক্ষের গুরুদায়িত্ব পালন করতে  পেরে আমি গর্বিত।
বর্তমান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ঠরংরড়হ-২০২১ বাস্তবায়নে অত্র কলেজে ঁঢ়ফধঃব বিনংরঃব  হতে যাচ্ছে জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এর মাধ্যমে ঐতিহ্য মন্ডিত এ কলেজের পরিচিতি, পাঠক্রম, সুযোগ-সুবিধা অবকাঠামো, শিক্ষক মন্ডলীর পরিচিতি ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরতে সক্ষম হবে, এ মহৎ উদ্দ্যোগের সঙ্গে সংযুক্ত সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভকামনা।    


প্রফেসর শহীদ মো. ইব্রাহীম