News Update: New website for edward college is just launched. Everything is just nice and okay ***

History:

১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে শ্রী গোপাল চন্দ্র লাহিড়ী ‘‘পাবনা ইনস্টিটিউশন বিদ্যালয় (প্রতিষ্ঠিত ১৮৯৪ খ্রি., বর্তমানের গোপাল চন্দ্র ইনস্টিটিউট)-এর একটি কক্ষে “পাবনা ইনস্টিটিউশন” নামে কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এ বছরেরই ডিসেম্বরে F.A Standard কলেজ হিসাবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি লাভ করে। শ্রী গোপাল চন্দ্র লাহিড়ী ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ প্রর্যন্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেছেন। এ বছর কলেজটির নামকরন করা হয় “পাবনা কলেজ”। ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে প্রয়াত সম্রাট সপ্তম এডওয়ার্ডের স্মৃতি রক্ষার্থে কলেজটির নামকরন করা হয় ‘এডওয়ার্ড কলেজ’। প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মহোদয়ের দায়িত্ব কালীন সুযোগ্য সহকর্র্মী  ছিলেন শ্রী গোপাল চন্দ্র মৈত্র, শ্রী আশুতোষ রায়, পন্ডিত হরি নারায়ণ কাব্যর্তীথ বিদ্যাবিনোদ এবং মৌলভি সিরাজ-উল হক প্রমুখ অসাধারণ মানুষ সুনামের সাতে অধ্যাপনার দায়িত্ব পালন করেছেন।পাঠদানের বিষয়গুলো ছিল ইংরেজি, ইতিহাস, যুক্তিবিদ্যা, গনিত, বিজ্ঞান, সংস্কৃত, আরবি ও ফারসি। ১৯১২ খ্রিস্টাব্দের আগস্টে তাড়াশের জমিদার রায় বাহাদুর বনমালী রায় কলেজকে পঞ্চাশ হাজার টাকা দানের ঘোষনাসহ কলেজ পরিদর্শনে আসা বাংলার গভর্নর লর্ড টমাস ডেবিড ব্যারন কারমাইকেলকে স্বাগত সম্ভাষন জানান। এ অনুষ্ঠানে গভর্নরও সমপরিমান টাকা দানের প্রতিশ্রুতি দেন। এ বছরেই অধ্যক্ষের চলতি দায়িত্ব পান পাবনার কৃতি সন্তান অসাধারন প্রতিভাবান অধ্যাপক ও কবি হেমচন্দ্র রায়। ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে কুষ্টিয়ার আমলা সদরপুরের জমিদার প্যারীসুন্দরী দাসীর উত্তরাধিকারী গোপী  সুন্দরী দাসী ও দেবেন্দ্র নারায়ণ সিংহ সাড়ে ৪৬ বিঘা জমি দান করেন। এ সময়ে বিভিন্ন এলাকার বিদ্যানুরাগী জমিদারগণ কলেজের জন্য উদার হস্তে অর্থ দান করেন। ১৯১৫-১৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যেই লক্ষাধিক টাকায় কলেজের অট্রালিকা নির্মানের প্রাথমিক কাজ হয়ে যায়।

১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় ও ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে অর্থনীতিতে অনার্স কোর্স চালু হয়। ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজী , রসায়ন, উদ্ভিদবিজ্ঞান, রাষ্টবিজ্ঞান, দর্শন ও ইতিহাস বিষয়ের সাথে হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু হয়। এতে অনার্স কোর্স চালু বিষয়ের সংখ্যা দাঁড়ায় ১২ টিতে। ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে এ ১২টি বিষয়েই মাস্টার্স কোর্স চালু হয়। ২০১১ খ্রিস্টাব্দে মার্কেটিং ও ফিন্যান্স বিষয়ে অনার্স কোর্সে পাঠদান শুরু হয়েছে।
১৯৯৭-৯৮ শিক্ষার্বষ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণি বন্ধ  দেয়া হয়। ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে শিক্ষা মন্ত্রাণালয় পুনরায় এ কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট কোর্স খোলার জন্য নির্দেশ দেয় এবং এর প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, রাজশাহী, উচ্চ মাধ্যমিক শাখা খোলার প্রয়োজনীয় অনুমতি প্রদান করে। ফলে ২০১৫-২০১৬ শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসা শিক্ষা শাখা মোট ৬০০ জন ছাত্র ছাত্রী ভর্তি করার মধ্য দিয়ে পুনরায় উচ্চ মাধ্যমিক পাঠদান শুরু হয়। বর্তমানে এ কলেজে ছাত্র ছাত্রী সংখ্যা প্রায় ২৬হাজার।

ভারত সম্রাট সপ্তম এডওয়ার্ড, মহামহিমান্বিত রাজ রাজেশ্বর ভারত-সম্রাট সপ্তম এডওয়ার্ড। তাঁর মাতা রাণী ভিক্টোরিয়ার মৃত্যুর পর ১৯০১ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যান্ডের রাজসিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন। রাজ্যাভিষেক কালে তিনি ‘গ্রেডব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ড এবং ব্রিটিশ উপনিবেশ সমূহের রাজা, ধর্মের রক্ষক এবং ভারতবর্ষের সম্রাট উপাধি গ্রহন করেন। সপ্তম এডওয়ার্ড দয়ালু ,প্রজাবৎসল, বিচক্ষণ, অমায়িক ‘শান্তি-সংস্থাপক’ হিসাবে স্বরনীয় হয়ে আছেন। তার শাসনামলের সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো ১৯০২ খ্রিস্টাব্দে পার্লামেন্টে ‘শিক্ষা আইন’ প্রণয়নের মাধ্যমে শিক্ষা পদ্ধতির আধুনিকীকরন করা। ১৯১০ খিস্টাব্দে ইংল্যান্ডের ধর্মপরায়ণ ও পরমতসহিষ্ণু সম্রাট সপ্তম এডওয়ার্ডের মৃত্যু হলে তার পুণ্যস্মৃতিকে অমর করে রাখার উদ্দেশ্যে ১৯১১ খিস্টাব্দের আগস্ট মাসে পাবনা কলেজের নামকরন করা হলো ‘ এডওযার্ড কলেজ ’। একজন সম্রাট নামে কলেজের নামকরন উপমহাদেশে এটিই প্রথম ।